আজ শনিবার

১৪ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

১লা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২৫শে রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

এখন সময়:

সকাল ৬:০১

কোরিয়ায় মতলব-গজারিয়া সেতুর বিষয়ে সেতুসচিবের আলোচনা

502 Views

দক্ষিণ কোরিয়ায় গ্লোবাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার কো-অপারেশন কনফারেন্সে (জিআইসিসি) চাঁদপুরের মতলব উত্তরের বহুল আকাঙ্খিত মতলব-গজারিয়া সেতুর বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অবকাঠামো সম্মেলনে বাংলাদেশের সম্ভাব্য এই বড় সেতু নির্মাণ প্রকল্পটি উপস্থাপন করেছেন সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফ।

দক্ষিণ কোরিয়ায় রাজধানী সিউলে ওয়েস্টিন পারনাস হোটেলে ১৬ থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর তিন দিনব্যাপী এই কনফারেন্সে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করছেন তিনি।

সেখানে আলোচনা করা হয়, ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের মধ্যে বিকল্প সড়ক সংযোগ তৈরি করাই সেতুটি নির্মাণের মূল উদ্দেশ্য। এক্ষেত্রে রাজধানীর সঙ্গে ভ্রমণ সময়, দূরত্ব ও খরচ কমানো, অর্থনৈতিক কার্যক্রম বৃদ্ধি, চাঁদপুরের দুইটি অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়ন, শিল্পোন্নয়ন, পর্যটন ও কর্মসংস্থান বাড়ানো যাবে।

মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেতু বিভাগের বিভিন্ন প্রকল্পের ওপর প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন সেতু সচিব। তিনি প্রেজেন্টেশনে উল্লেখ করেন, সেতু বিভাগের কয়েকটি প্রকল্পে কোরিয়ান ইডিসিএফ/ইডিপিএফ অর্থায়নের সুযোগ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের পরিবহন খাতে দক্ষিণ কোরিয়ার কাজ করার অনেক সুযোগ রয়েছে।
জিআইসিসি-২০২৫ সম্মেলনের লক্ষ্য কোরিয়ান নির্মাণ সংস্থাগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি এবং বিভিন্ন দেশের প্রকল্প বাস্তবায়নকারীদের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক স্থাপন করা। এটি মূলত একটি বিজনেস-টু-বিজনেস প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করে, যেখানে কোরিয়ান কোম্পানিগুলো বিদেশি সরকার, প্রজেক্ট ডেভেলপার এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারে।

সম্মেলনে প্রায় ৫০০ জন অংশগ্রহণকারী ছিলেন, যার মধ্যে ৩০টি দেশের মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এবং কোরিয়ান শীর্ষস্থানীয় নির্মাণ সংস্থাগুলোর কর্মকর্তারা রয়েছেন।

এই সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্যগুলো হলো—বিভিন্ন দেশের আসন্ন অবকাঠামো প্রজেক্ট সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ ও আদান-প্রদান, বিভিন্ন দেশের মন্ত্রী, উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নির্বাহীদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন, নতুন প্রজেক্টে অংশগ্রহণের জন্য চুক্তি এবং সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর, কোরিয়ান উন্নত প্রযুক্তি যেমন স্মার্ট সিটি, হাই-স্পিড রেল এবং স্মার্ট পোর্ট সিস্টেমের সঙ্গে পরিচিতি করা।
সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের অবকাঠামো উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ ও সুযোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের প্যানেল আলোচনা, বিভিন্ন দেশের প্রজেক্ট ব্রিফিং, ব্যক্তিগত বিজনেস মিটিং হবে এবং কোরিয়ান শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলো তাদের নতুন প্রযুক্তি প্রদর্শন করবে।

Share This Article
Leave a Comment

শেয়ার করুন:

শীর্ষ সংবাদ

সর্বশেষ সংবাদ