চাঁদপুরের মতলব উত্তরে এক বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা প্রহরীর উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার আদুরভিটি বলাইখারকান্দি গ্রামে।
রবিবার (২৩মার্চ) সকাল ১১টায় উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার সিদ্দিকা বেগম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধন করা হয়েছে। পরে মানববন্ধনে অংশ গ্রহণকারীরা ছেংগারচর বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে মতলব উত্তর থানার সামনে এসে জরো হয় এবং হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবী জানান।
বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ভূক্তভোগীসহ স্থানীয়রা এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। মানববন্ধনে প্রায় মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল করেন বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, হামলার শিকার সোলায়মান মিয়াজির পিতা রুস্তম আলী মিয়াজি, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনির হোসেন পাটোয়ারী, অভিভাবক সদস্য আবু তাহের সুমন, সিনিয়র শিক্ষক রফিকুল ইসলাম, সমাজ সেবক ইসমাইল হোসেন, দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সানিয়া আক্তার, অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মারজানা আক্তার, ইতি আক্তার, শিখা আক্তার।
মানববন্ধনের বক্তারা বলেন, সিদ্দিকা বেগম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নিরাপত্তা প্রহরী সোলেমান মিয়াজীর উপর নৃশংস ভাবে হামলা চালায় একই গ্রামের রুস্তম আলী ও তার ছেলে হ্রদয়। সোলায়মান বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। এ ঘটনায় সোলাইমান মিয়াজির বাবা রুস্তম আলী মিয়াজী থানায় বাদী হয়ে মামলা করলেও পুলিশ এখনো কোন আসামি গ্রেপ্তার করতে পারেনি। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে যদি আসামি গ্রেপ্তার করা না হয় তা হলে আন্দোলন আরো কঠিন হবে হুঁশিয়ার দেন।
এ বিষয়ে মতলব উত্তর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রবিউল হক জানান, সোলাইমান মিয়াজির উপর হামলার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। আসামি গ্রেপ্তার জন্য পুলিশ কাজ করছে।
উল্লেখ্য, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ১৯ মার্চ বুধবার সিদ্দিকা বেগম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে নিরাপত্তা প্রহরী সোলেমান মিয়াজীকে তার বাড়িতে একই এলাকার সাইফুল ইসলাম মিয়াজী ও তার ছেলে মো. হৃদয় মিয়াজী দেশীয় ধারালো ছুরি দিয়ে সোলেমান মিয়াজীর ঠোঁট, গাল, ঘাড় ও বাম হাতে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম করে। সে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।