সদ্যঘোষিত চাঁদপুরের মতলব উত্তরে ছেংগারচর সরকারি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সামলোচিত কমিটির বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন কমিটির সাবেক আহ্বায়ক আব্দুর রহমান (মুন্না)।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) নিজের ৪ বছর ৮ মাস ৬ দিনের রাজনৈতিক কার্যক্রম তুলে ধরে ওই পোস্টের কমেন্ট বক্সে তিনি লিখেন, ‘ এইযে এখন নতুন করে যে কমিটি দেওয়া হলো, আসলে এই কমিটিটা কিভাবে করা হলো? যারাই কমিটিতে এই ভাই, ওই ভাইকে দিয়ে সুপারিশ করিয়েছেন। দিনশেষে আপনারা কমিটি পেয়েও গিয়েছেন। কিন্তু একটা বার আপনারা কী চিন্তা করেছেন? আমরা কমিটিতে আসলে কিভাবে এগিয়ে যাবো, কিভাবে কাজ করবো? আপনারা একজন আরেকজনকে কোনভাবে চিনেন না।
যারাই কমিটি দিয়েছে তারা হয়তো জানেনা এটা পৌরসভা। এখানে গ্রাম এবং কলেজের আশেপাশের গ্রামগুলো বেশি প্রাধান্য পায়। যেখানে তাদেরকে পৌরসভায় সকল নেতাকর্মীদের সাথে সম্পৃক্ত থেকে কলেজের রাজনীতি করতে হয়।
যারাই কমিটিতে এসেছে ১ জন ছাড়া আমার মনে হয় না কেউ দশজন শিক্ষার্থীদের সামনে তাদেরকে একটা কথা সুন্দরভাবে বুঝাতে পারবে।
কমিটিটা যদি আমি মানচিত্র হিসেবে উপস্থাপন করি তাহলে আহ্বায়কঃ ঢাকা জেলা, সদস্য সচিবঃ কুড়িগ্রাম জেলা, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়কঃ ঢাকা জেলার পাশে চাঁদপুর, ১ম যুগ্ন আহ্বায়কঃ কুষ্টিয়া জেলা, ২য় যুগ্ম আহ্বায়কঃ কক্সবাজার জেলা। ১ম সদস্যঃ বরিশাল, ২য় সদস্যঃ রাজশাহী।
এখন আমার কথা হচ্ছে এটা মতলবের অন্য সব কলেজের মতো না। এটা মতলবের একমাত্র সরকারি কলেজ এখানে যদি পৌরসভার আশেপাশের ছাত্রদের দিয়ে যদি কমিটি না দেওয়া হয়। তাহলে এই কমিটিতে যারা আছে,আমি কনফার্ম তারা সবাই মিলে একত্রে একদিন চা খেতেও বসতে পারবে না সবাই।
কেন পৌরসভা কী কেউ ছিল না? সংশ্লিষ্ট যারাই ছিল তারা সবাই নিজের মনমতো একটা নাম দিয়েছেন আর নামটা এসে গিয়েছে। একটা বার চিন্তা করলেন না, কলেজের রাজনীতি করা আর কলেজের বাহিরে রাজনীতি করা এক জিনিস নয়।
কলেজের রাজনীতি করতে হলে শিক্ষার্থীদের বুঝতে হয়, তারা একটি কথা বুঝতে না পারলে কথা বুঝাতে হয়। এখানে একটি কর্মসূচি দিলে কলেজের কিছু শিক্ষার্থীর প্রয়োজন হয়। এই যে কমিটিটা দিয়েছেন যারা কমিটিতে আছে আদৌ দুই একজন ছাড়া বাকি সবাই যোগ্য?
উল্লেখ্য, বুধবার (২৭ আগস্ট) জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমাম হোসেন গাজী ও সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম ইসমাইল পাটওয়ারী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে মতলব উত্তরে ৮ টি কলেজ শাখা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করা হয়। এর পরপরই এরইমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন মহলে নানা সমালোচনা শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে কমিটি থেকে ঘোষণা দিয়ে পদত্যাগ করেছেন যুগ্ন-আহ্বায়ক সায়মন মিয়া। এই কমিটি নিয়ে হতাশাজনক পোস্ট করেছেন সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক নিহা মনি।
কমিটিতে ত্যাগীদের মূল্যায়নই করা হয় নাই। সায়মন মিয়া, ইমন মোল্লা, নাদিয়া প্রমুখ। একইসাথে ছাত্রলীগ দিয়ে কমিটি দেওয়া হয়েছে এটার প্রমাণও আছে। কেন ভাই এরকমটা কেন করতে হবে। আমি বললাম এই কমিটি দ্বারা অন্তত এই সরকারি কলেজে রাজনীতি করা সম্ভব না সম্ভব না।
উল্লেখ্য, বুধবার (২৭ আগস্ট) জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমাম হোসেন গাজী ও সাধারণ সম্পাদক এইচ.এম ইসমাইল পাটওয়ারী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে মতলব উত্তরে ৮ টি কলেজ শাখা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করা হয়। এর পরপরই এরইমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ বিভিন্ন মহলে নানা সমালোচনা শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে কমিটি থেকে ঘোষণা দিয়ে পদত্যাগ করেছেন যুগ্ন-আহ্বায়ক সায়মন মিয়া। এই কমিটি নিয়ে হতাশাজনক পোস্ট করেছেন সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক নিহা মনি।