প্রকাশের তারিখঃ ৭ অক্টোবর, ২০২৫ | প্রিন্ট এর তারিখঃ ২৬ আগস্ট, ২০২৬, ১০:১০ দুপুর

মতলব উত্তরে বিরল প্রজাতির গন্ধগোকুল উদ্ধার

প্রতিবেদকঃ মাহফুজুর রহমান || চাঁদপুরের মতলব উত্তরে বিরল প্রজাতির একটি গন্ধগোকুল উদ্ধার করা হয়েছে। বিলুপ্তপ্রায় এই প্রানীটিকে একনজর দেখতে এরইমধ্যে ভিড় করছে স্থানীয়রা সহ অনেকেই।

সোমবার রাতে ছেংগারচর পৌরসভার আধুরভিটি গ্রামে টিসিবির গোডাউনে হঠাৎ প্রানীটি ডুকে পড়ে। এসময় প্রাণিটিকে দেখে মেছো বাঘ মনে করে স্থানীয়রা আতংকিত হয়ে পড়ে। পরদিন মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) কৌশলে এটিকে ধরে খাঁচায় বন্দি করে রাখা হয়।

জেলা বন কর্মকর্তা মতলব টুডে ডটকমকে জানান, উদ্ধার প্রাণীর গায়ের রং ও আকৃতি দেখে গন্ধগোকুল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এদের ইংরেজি নাম এশিয়ান পাম সিভেট।

গন্ধগোকুল বর্তমানে একটি বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির প্রাণি। এটি অরক্ষিত এবং নিশাচর প্রাণি। এরা মূলত মূলত ফলখেকো হলেও কীটপতঙ্গ, শামুক, ডিম-বাচ্চা-পাখি, ছোট প্রাণী, তাল-খেজুরের রসও খায়। অন্য খাদ্যের অভাবে মুরগি-কবুতর ও ফল চুরি করে। এরা ইঁদুর ও ফল-ফসলের ক্ষতিকর পোকামাকড় খেয়ে কৃষকের উপকার করে। নিশাচর এ প্রাণীটি একসময় প্রচুর পাওয়া গেলেও বর্তমানে তেমন চোখে পড়ে না।

অন্ধকারে অন্য প্রাণীর গায়ের গন্ধ শুঁকে তাকে চিনতে পারার অসাধারণ ক্ষমতা রয়েছে গন্ধগোকুলের। গন্ধগোকুলের শরীর থেকে সুগন্ধী চালের গন্ধ ছড়ায়। এরা সাধারণত রান্নাঘরের কাঠ রাখার স্থান, বসত ঘরের মাচা, বিল্ডিংয়ের কার্নিশে বাসা বেঁধে বাচ্চা প্রসব করে। এরা তাল খাটাশ, গাছ খাটাশ, ভোন্দর, নোঙর, সাইরেল নামে পরিচিত। তালের রস বা তাড়ি পান করে বলে এদের তাড়ি বা টডি বিড়ালও বলা হয়।

error: Content is protected !!