প্রকাশের তারিখঃ ৬ জানুয়ারি, ২০২৬ | প্রিন্ট এর তারিখঃ ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫১ অপরাহ্ণ

ড.জালালের ৬৫ কোটি টাকার সম্পদ, বছরে আয় কোটি টাকা

প্রতিবেদকঃ মাহফুজুর রহমান

চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর–মতলব দক্ষিণ) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে দাখিল করা হলফনামায় নিজের ও পরিবারের সম্পদ, আয়-ব্যয়ের তথ্য মতলব টুডের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।

হলফনামা অনুযায়ী, ড. জালাল উদ্দিনের মোট ঘোষিত সম্পদের পরিমাণ ৬৫ কোটি ৭৫ লাখ ৫৭ হাজার ৩৭৩ টাকা। এর মধ্যে তাঁর নিজের নামে রয়েছে ৬ কোটি ৬৯ লাখ ৭৭ হাজার টাকা, স্ত্রীর নামে ১ কোটি ৫০ লাখ ৮১ হাজার ৯৭৩ টাকা এবং নির্ভরশীলদের নামে রয়েছে উল্লেখযোগ্য অঙ্কের সম্পদ।

ড. জালাল উদ্দিনের নগদ অর্থ রয়েছে ১ কোটি ৩৭ লাখ ৩৯ হাজার ৮৮০ টাকা। তাঁর ব্যাংক হিসাবে জমা রয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ ৩৩ হাজার ১১৯ টাকা। পাশাপাশি স্ত্রীর নামেও ব্যাংকে রয়েছে উল্লেখযোগ্য অঙ্কের অর্থ।
বার্ষিক আয়

হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, ড. জালাল উদ্দিনের বার্ষিক আয় ১ কোটি ৩৯ লাখ ৪৮ হাজার ১৪২ টাকা। ব্যবসা ও অন্যান্য খাত থেকে এই আয় আসে। তাঁর স্ত্রীর বার্ষিক আয় ১৩ লাখ ৯৭ হাজার ৯০০ টাকা।

ড. জালাল উদ্দিনের নামে চাঁদপুরের মতলব ও রাজধানীর মিরপুর, বসুন্ধরা, বাড্ডায় দুটিসহ মোট ৫টি আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন রয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ১৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। এছাড়া তাঁর নামে রয়েছে ৪টি ফ্ল্যাট, যার মূল্য ৫ কোটি ৫৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

জমির ক্ষেত্রেও তিনি বড় মালিক। হলফনামা অনুযায়ী তাঁর মালিকানায় রয়েছে ২৫২ শতাংশ জমি, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ৩০ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।

ড. জালাল উদ্দিনের নামে রয়েছে প্রায় ৫০ ভরি স্বর্ণালংকার, যার মূল্য প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। স্ত্রীর নামেও রয়েছে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ স্বর্ণালংকার। এছাড়া তাঁর মোটরযানের মূল্য দেখানো হয়েছে ৯৬ লাখ টাকা আর তার স্ত্রীর রয়েছে ৩০ লাখ ২৫ হাজার টাকা মুল্যের গাড়ি।

হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, ড. জালাল উদ্দিনের নামে ৫ কোটি ২৫ লাখ ৪০ হাজার টাকা মূল্যের শেয়ার ও বন্ড রয়েছে। পাশাপাশি একটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত আগ্নেয়াস্ত্র থাকার তথ্যও দেওয়া হয়েছে।

ড. জালাল উদ্দিন হলফনামায় উল্লেখ করেছেন, তাঁর বিরুদ্ধে ফৌজদারি ৩টি মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন আর ১টি অনুসন্ধানাধীন রয়েছো।

রাজনীতি, ব্যবসা ও সমাজসেবায় সক্রিয় ড. মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনের প্রকাশিত এই হলফনামা নির্বাচনী মাঠে ভোটারদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।সম্পদ ও আয়ের স্বচ্ছ তথ্য প্রকাশকে অনেকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ বলছেন পুরো তথ্য প্রকাশ পায়নি।