প্রকাশের তারিখঃ ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | প্রিন্ট এর তারিখঃ ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৩৫ পূর্বাহ্ণ

মতলবে ইতিহাসের সাক্ষী ষাটের দশকের ‘বোস্টন হোলার’

প্রতিবেদকঃ মাহফুজুর রহমান

১৯৬০-এর দশকের শুরুতে চাঁদপুরের মতলবে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত না থাকায় নদীপথই ছিল যাতায়াতের প্রধান ভরসা। সে সময় মতলবের দুর্গম জলপথে গবেষণা ও চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বিশ্বখ্যাত ‘অনিমজ্জনীয়’ মোটরবোট বোস্টন হোয়েলার।

জানা যায়, ১৯৫৮ সালে নির্মিত এবং ১৯৬১ সালের দিকে ‘কখনও ডুববে না’ খ্যাতি পাওয়া এ বোটটি তৎকালীন কলেরা রিসার্চ ল্যাবরেটরির মতলব ফিল্ড রিসার্চ সাইটে যুক্ত হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি আইসিডিডিআরবি নামে পরিচিত। এরপর থেকে মতলবের নদীপথে দ্রুত ও নিরাপদ চলাচলের জন্য বোটটি একটি নির্ভরযোগ্য বাহনে পরিণত হয়।

কলেরার চিকিৎসায় জীবনরক্ষাকারী ওরাল রিহাইড্রেশন থেরাপি (ওআরটি) উন্নয়নের অন্যতম পথিকৃৎ বিজ্ঞানী ড. উইলিয়াম বি. গ্রিনো দ্যা থার্ড তাঁর স্মৃতিকথায় উল্লেখ করেন, মতলবের কার্যক্রম বিস্তৃত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নদীপথে দ্রুত যোগাযোগের প্রয়োজন দেখা দেয়। সে কারণেই মজবুত, টেকসই ও ডুব-অযোগ্য বোস্টন হোয়েলার ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আইসিডিডিআরবি সূত্রে আরও জানায়, ড. গ্রিনো দ্যা থার্ড মতলব ফিল্ড সাইটের লজিস্টিকস ও চিকিৎসা কার্যক্রম বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। পাশাপাশি তিনি স্থানীয় মেকানিকদের আধুনিক নৌচলাচল কৌশল শেখান, যাতে গবেষণা ও জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা সেবা নিরাপদে প্রত্যন্ত জনগোষ্ঠীর কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয়।