চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কেএফটি কলেজিয়েট স্কুলে প্রাথমিক বৃত্তিপ্রাপ্ত ৫৭ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে কলেজ মিলনায়তনে কেএফটি হাজী আব্দুল কাদের মোল্লা-ফাতেমা বেগম ট্রাস্টের উদ্যোগে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষার্থীদের দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম ইশমাম। তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন এবং ভবিষ্যতে দেশ ও সমাজের কল্যাণে নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
কেএফটির চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন জুলহাসের সভাপতিত্বে ও শিক্ষার্থী আতিফ ইরহাম ও সুফিয়া মুকুল রোজার যৌথ সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ও সাবেক সচিব জাকির হোসেন কামাল। তিনি বলেন, ভালো ফলাফলের পাশাপাশি বিশ্বমানের শিক্ষা ও আদর্শ মানুষ গড়ে তোলাই প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এমদাদ হোসেন খান, মতলবগঞ্জ জে বি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) জাবেদ হোসেন, মতলবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ আলম, অভিভাবক
প্রতিনিধি আবদুল হান্নান অপু প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়ে উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিকসহ অতিথিদের উত্তরীয় পরিয়ে দেন অতিথিরা।
এর আগে কলেজ ভবনের চতুর্থ তলায় স্বর্ণপ্রদকপ্রাপ্ত শিক্ষাবিদ মরহুম ওয়ালিউল্লাহ পাটোয়ারীর নামকরণে লাইব্রেরির ফলক উম্মোচন করা হয়।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, কেএফটির বয়েজ উইংয়ের কো-অর্ডিনেটর রিয়াজুল ইসলাম, গার্লস উইংয়ের কো-অর্ডিনেটর বদিউল আলম বাবু, প্রভাষক শহীদুল্লাহ্, প্রভাষক ফাতেমা আক্তার, প্রভাষক সজল মজুমদার, প্রভাষক বদরুন নাহার লরিন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, প্রতিষ্ঠানটি ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সুশৃঙ্খলভাবে পাবলিক পরীক্ষাগুলো শতভাগ এ প্লাস সহ ধারাবাহিক শিক্ষামুলক সাফল্য বয়ে আনছে।
তারা বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে মতলবের একটি শিক্ষা পবিরেশ দিতে চাই। যেখানে থাকবে সুস্থ প্রতিযোগীতা, আর মেধা চর্চা। সেই ধারাবাহিকতা দিয়ে মতলবের শিক্ষার্থীরা পৌছে যাবে। আমরা সর্বদাই ভাল মানুষ চাই। শুধু ভাল রেজাল্টই নয়, আমরা চাই বিশ্ব মানের পড়ালেখা করে আমাদের শিক্ষার্থীরা বিশ্বে মাথা উচুঁ করে দাড়াবে।
আরও বলেন, আজকে যারা কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা দেওয় হল, তা শুধু অনুপ্রেরণা আর উৎসাহ মাত্র। আমাদের সাধ্য অনুযায়ী তাদেরকে সংবর্ধনা দিয়ে সামনে এগিয়ে নিতে চাই। সর্বপরি আমরা মতলবের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরো উন্নত করাই আমাদের লক্ষ্য ও মূল উদ্দেশ্য। আমার জায়গা থেকে আমি সর্বোচ্চটা চেষ্টা চালিয়ে যাবো।